নিজস্ব প্রতিবেদক | শেরপুর
জেলার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সরকারি বিভিন্ন খাদ্য কর্মসূচির বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, শেরপুর। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ নাজমুল হক ভূঁইয়া-এর নেতৃত্বে জনসেবামূলক কার্যক্রমে দায়িত্বশীলতা ও সেবার মানোন্নয়নের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কৃষকদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নেও জেলা খাদ্য অফিস সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী উপকারভোগীদের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন খাদ্য গুদামে সরকারি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও জেলা খাদ্য অফিস গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে। দ্রুত সমন্বয় এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের পাশে থাকার মানসিকতা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা খাদ্য অফিস নিয়মিতভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ একটি ইতিবাচক প্রশাসনিক সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।
ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগও প্রশংসিত হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার ফলে তথ্য সংরক্ষণ, সমন্বয় এবং জনগণের সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে শেরপুর জেলা খাদ্য অফিস একটি সেবামুখী ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার ভবিষ্যতেও এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
businessbarta.com সবার জন্য businessbarta.com