শিরোনাম

জনতা ব্যাংক লিমিটেড এর ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের ২য় প্রান্তিকের কর্মশালা এবং সভা অনুষ্ঠিত

জনতা ব্যাংক লিমিটেড, হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট-এর তত্ত্বাবধানে বিভাগীয় কার্যালয়, ঢাকা উত্তর এর আওতাধীন এরিয়া অফিস ও শাখাসমূহের ব্যবস্থাপক ও নৈতিকতা কমিটির সদস্যদের নিয়ে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ শনিবার ‘সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ শীর্ষক একটি কর্মশালা এবং সভা জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ আনোয়ার হুসাইন, জিএম, এইচআর এবং ফোকাল পয়েন্ট, নৈতিকতা কমিটি, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এমডি অ্যান্ড সিইও বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ আব্দুছ ছালাম আজাদ। নৈতিকতা কমিটির বিকল্প ফোকাল পয়েন্ট ও এইচআরডিডি -এর ডিজিএম সহ অন্যান্য নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। উক্ত কর্মশালা ও সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক প্রণীত শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২২-২৩ এর আলোকে সৎ ও শুদ্ধাচারী ব্যাংকার এর মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে উন্নতমানের সেবা প্রদান করে এবং ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের সকল স্তরে সুষ্ঠু কর্পোরেট সুশাসন নিশ্চিত করে জনতা ব্যাংক লিমিটেড দেশের বৃহত্তম কার্যকর বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে আত্বপ্রকাশ করার নিমিত্ত এ ব্যাংকের প্রণীত শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথি ব্যাংকের এমডি অ্যান্ড সিইও তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লালিত স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে শুদ্ধাচার বাস্তবায়নে স্ব স্ব দায়িত্ব নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং কোড অব কন্ডাক্ট পরিপালনের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংকের সকল স্তরে সুশাসন নিশ্চিত করে দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে দেশের উন্নয়নে এ ব্যাংকের কর্মচারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ব্যাংক ব্যবসার অন্তরায় দূরীকরণ এবং ঝুঁকি নিরসনে উপস্থিত সবাইকে সচেতন হওয়ার সাথে সাথে নিজেকে সৎ-শুদ্ধাচারী দক্ষ ব্যাংকার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতে রেমিট্যান্স বিষয়ক সেবা প্রদানের বিষয়ে সকলকে আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।

কর্মশালায় জিএম (এইচআর) শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা অনুসারে রেজিস্টারে প্রদত্ত সেবার বিবরণ ও সেবা গ্রহীতার মতামত সংরক্ষণ, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি, অকেজো মালামাল নিষ্পত্তিকরণ ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া তিনি সিটিজেন চার্টার যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নিমিত্তে কার্যকরী নির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিশেষে, সভার সভাপতি গ্রাহকের স্বার্থ সমুন্নত রাখার প্রয়াসে স্বল্পতমসময়ে সর্বোত্তম সেবা প্রদানসহ গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার নির্দেশনা জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আরও দেখুন

জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৯ জন পরিচালক অদ্য ১৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখ সকাল ১১ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *