শিরোনাম

ইনফিনিক্সের ‘ঈদ ধামাকা’ ক্যাম্পেইনে উপহার, চমক আর আনন্দের ছোঁয়া

ঈদ কেবল ক্যালেন্ডারের একটি দিন নয়—ঈদ একটি অনুভব। পরিবার-পরিজনের একত্রে সময় কাটানো, হাসিমুখ, আর ছোট ছোট মুহূর্তে খুশির দ্যুতি ছড়িয়ে দেয়ার সময়। সেই আনন্দকে আরও রঙিন করে তুলতে ইনফিনিক্স নিয়ে এসেছে ‘ঈদ ধামাকা’ ক্যাম্পেইন, যেখানে থাকছে আকর্ষণীয় উপহার, চমকপ্রদ পুরস্কার এবং ঈদের মিলনমেলার উচ্ছ্বাস।

চলতি ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়েছে ১৫ মে থেকে এবং চলবে ১৪ জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এতে অংশগ্রহণ করা যাবে অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই। অনলাইনে অংশ নিতে অফিসিয়াল গেম লিংক ভিজিট করে সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই সুযোগ মিলবে পুরস্কার জেতার। আর অফলাইনে অংশ নিতে যেকোনো ইনফিনিক্স অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্রে থাকা ক্যাম্পেইনের ব্র্যান্ডিং থেকে QR কোড স্ক্যান করেই ক্যাম্পেইনে যুক্ত হওয়া যাবে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হলে অংশগ্রহণকারীদের নিজের পছন্দের আউটলেট সিলেক্ট করে মোবাইল নম্বর যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি ইনফিনিক্সের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ফলো, ক্যাম্পেইনের পোস্টটি পাবলিকভাবে শেয়ার করা এবং আরও ৩ জন বন্ধুকে অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই একজন অংশগ্রহণকারী পাবেন একটি ‘মেগা ঈদ গিফট’ জেতার সুযোগ। যদি তিনজন আমন্ত্রিত বন্ধু অংশগ্রহণ করেন, তবে মিলবে দ্বিতীয়বার জেতার সুযোগও।

তবে, উপহার গ্রহণের জন্য অবশ্যই ইনফিনিক্স নোট ৫০ সিরিজের যে কোনো একটি স্মার্টফোন ক্রয় করতে হবে। উপহার তালিকায় রয়েছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ কুপন, ইনফিনিক্স স্মার্ট এক্সওয়াচ ৩ চিক, ইনফিনিক্স স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং ইভি-বাইক (ইলেকট্রিক বাইক)।

ঈদের এই আনন্দঘন সময়ে ইনফিনিক্সের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীদের জন্য একটি মজার ও অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা তৈরি করা। একই সঙ্গে নোট ৫০ সিরিজের মোবাইল কেনাকে আরও উপভোগ্য করে তোলা।

ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে আগ্রহীরা ইনফিনিক্সের অফিসিয়াল ক্যাম্পেইন ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন অথবা নিকটস্থ ইনফিনিক্স অনুমোদিত আউটলেটে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

ইনফিনিক্স:

ইনফিনিক্স মোবিলিটি একটি উদীয়মান প্রযুক্তি ব্র্যান্ড। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের আওতায় বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের ডিভাইস ডিজাইন, প্রস্তুত ও বাজারজাত করে থাকে কোম্পানিটি। আজকের তরুণদের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল ডিভাইস প্রস্তুত করা তাদের মূল লক্ষ্য। এই ফোনগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য চমৎকার স্টাইল, পাওয়ার ও পারফরম্যান্স। ইনফিনিক্সের ট্রেন্ডি ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়।

“ভবিষ্যৎ আমাদের হাতের মুঠোয় (দ্য ফিউচার ইজ নাও)” মূলমন্ত্র নিয়ে ইনফিনিক্স আজকের তরুণদের স্বকীয়তা তুলে ধরার জন্য অনুপ্রাণিত করতে চায়।

আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি অঞ্চলের ৭০টির বেশি দেশে এই কোম্পানির পণ্য বিক্রি করা হয়। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ইনফিনিক্সের মরক্কোতে একটি কনসেপ্ট স্টোর, এর বাইরে ৭৪টি অনুমোদিত স্টোর (৩০% ইয়ার-অন-ইয়ার বৃদ্ধি) এবং সারা পৃথিবী জুড়ে ৪৬,৭০০টি রিটেইল স্টোর আছে। ইনফিনিক্সের একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ফ্যানবেইজ তৈরি হয়েছে। নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি দ্রুত ফ্যানদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং এক্সওএস ফ্যান এডিশন টেস্ট করার জন্য নিয়মিত অফলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে কোম্পানিটি।

 

আরও দেখুন

দেশের বাজারে যাত্রা শুরু করল ইলেকট্রিক মোটরবাইক ‘ভি মটো’

  বাংলাদেশের ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) মার্কেটের বিভিন্ন ডিজাইনের বাইকগুলো এতদিন মূলত নিত্যদিনের যাতায়াতের বাহন হিসেবেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *