শিরোনাম

ইলিজারভ রোগীদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

ইলিজারভ রোগীদের সুচিকিৎসায় সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করছে দেশের সর্বপ্রথম জেসিআই স্বীকৃত্ব হাসপাতাল, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা। ইলিজারভ রাশিয়ায় আবিষ্কৃত অর্থোপেডিক্স শাস্ত্রের একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। বর্তমানে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা ভাঙা হাঁটুর চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল ফ্র্যাকচারের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।

ইলিজারভ চিকিৎসা এমন এক পদ্ধতি যেখানে কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই অপারেশন করা যায়। মূলত, এই পদ্ধতিতে বাইরে থেকে সার্জিক্যাল তার ভাঙা হাড়ের ভেতর প্রবেশ করানো হয়। এরপর রিংয়ের সাহায্যে সেই তারগুলোকে আটকিয়ে এক ধরনের টানার ব্যবস্থা করা হয়। এ অভিনব পদ্ধতির মাধ্যমে হাড় জোড়া লাগাতে সময় লাগে গড়ে ৪-৬ মাস। তবে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এ অপারেশন খুবই সুবিধাজনক।

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার অর্থোপেডিক ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. মিরাজ উদ্দিন মোল্লা বলেন, “অধ্যাপক জি.এ. ইলিজারভ -এর হাত ধরে অথ্রোপেডিক সার্জারিতে যুগান্তকারী উদ্ভাবন হলো ইলিজারভ পদ্ধতি। অর্থোপেডিক চিকিৎসা খাতে এটি এমন প্রভাব ফেলে যে পুরো অর্থোপেডিক চিকিৎসার সময়কালকে ইলিজারভ পূর্ব এবং ইলিজারভ পরবর্তী যুগে ভাগ করা যায়। অর্থোপেডিক সার্জারিতে এটি একটি বৈপ্লবিক উদ্ভাবন।”

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার অর্থপেডিক এন্ড ট্রমা ডিপার্টমেন্ট এর কোঅর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা: এম. আলী বলেন, “অর্থোপেডিক সার্জারির ক্ষেত্রে ইলিজারভ পদ্ধতির উদ্ভাবন এবং প্রবর্তন চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজতর করে তুলেছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সার্পোট না থাকায় এই চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের হাজারো মানুষ। আমরা এভারকেয়ার হসপিটাল পরিবার রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। তাই আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং সুদক্ষ নার্সদের দ্বারা অর্থোপেডিক চিকিৎসায় নতুন নতুন সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।”

ইলিজারভ সার্জারিতে দক্ষতার সাথে চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি, স্পোর্টস মেডিসিন, আর্থ্রোসকপি সার্জারি, স্পাইন সার্জারি এবং ট্রমা ম্যানেজমেন্টসহ অর্থোপেডিক পরিষেবাগুলির একটি বিস্তৃত পরিসরের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকে।

আরও দেখুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডে-কেয়ার সেবা চালু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে কর্মরত মায়েদের শিশুদের সুরক্ষা, পরিচর্যা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *