রাঙামাটি প্রতিনিধি:
বন্যাকবলিত মানুষের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সাতটি উপজেলায় শুরু হয়েছে সরকারের বিশেষ ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রম। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৯ জুলাই ২০২৬ থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
বন্যাকবলিত সাত উপজেলা হলো—রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই, জুরাছড়ি, লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল ও বিলাইছড়ি। সংশ্লিষ্ট ডিলারদের মাধ্যমে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন দুইটি কেন্দ্রে বিশেষ ওএমএসের আওতায় চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে।
রাঙামাটি সদরের মানিকছড়ি এলাকা এবং বড়াদাম ব্রিজ সংলগ্ন বেড়ান্ন্যা লেক এলাকায় বিশেষ ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি বাজার, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা, চিৎমরম বাজার, কাপ্তাই বাজার ও রাইখালী বাজারে চাল-আটা বিক্রি করা হচ্ছে।
বরকলের বরকল বাজার ও গুদামঘাট, জুরাছড়ির যক্ষা বাজার, ফেরিঘাট ও রাস্তার মাথা, বিলাইছড়ি বাজার, লংগদুর মাইনীমুখ বাজার, বাইট্টাপাড়া বাজার ও লংগদু বাজার এবং বাঘাইছড়ির মুসলিম ব্লক, বটতলী বাজার ও উপজেলা মসজিদ মার্কেট এলাকায় এ কার্যক্রম চলছে।
বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ভোক্তা প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা কিনতে পারবেন।
শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত ডিলারের দোকান থেকে ভোক্তারা চাল ও আটা সংগ্রহ করতে পারবেন।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতেও বিশেষ বরাদ্দ
এদিকে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে জুলাই ২০২৬ মাসে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় রাঙামাটির ১০টি উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের ৫২টি কেন্দ্রে কার্ডধারী উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কার্ডধারী উপকারভোগীদের নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে জুলাই মাসের বরাদ্দকৃত চাল সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ।
বন্যাকবলিত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের এ উদ্যোগ দুর্যোগের সময়ে নিম্নআয়ের ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে ভূমিকা রাখছে।
প্রচারে: জেলা খাদ্য বিভাগ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা
businessbarta.com সবার জন্য businessbarta.com