শিরোনাম

শক্তি ফাউন্ডেশন ও ডিএসআইকে’র মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর

দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারীদের উন্নয়নে কাজ করা শক্তি ফাউন্ডেশন এবং জার্মানভিত্তিক সংস্থা ডয়েচে স্পারকাসেনস্টিফটং ফিউর ইন্টারন্যাশনালে কর্পোরেশন (Deutsche Sparkassenstiftung for International Cooperation – DSIK) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ১৩ মে ২০২৫ তারিখে।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং তাদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একসাথে কাজ করবে।

ঢাকায় অবস্থিত শক্তি ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শক্তি ফাউন্ডেশনের প্রায় পাঁচ লক্ষ নারী সদস্য উন্নত আর্থিক সেবার সুযোগ পাবেন, যার মধ্যে থাকবে দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উদ্ভাবনী সঞ্চয় পণ্য।

 

অনুষ্ঠানে শক্তি ফাউন্ডেশনের উপ নির্বাহী পরিচালক ইমরান আহমেদ বলেন:
“১৯৯২ সালে শক্তি ফাউন্ডেশন গ্রামীণ ব্যাংক মডেলের ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোক্রেডিট প্রোগ্রাম শুরু করে এবং এটি নগর এলাকায় সফলভাবে বাস্তবায়নের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করেছে। গত ৩৩ বছর ধরে শক্তি দেশের ৫৭টি জেলায় পিছিয়ে পড়া নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, সঞ্চয় হলো পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী সুরক্ষা বলয়, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আকস্মিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক। ডিএসআইকে’র সাথে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমাদের নারী সদস্যরা উদ্ভাবনী সঞ্চয় পণ্যের মাধ্যমে সম্প্রসারিত আর্থিক সুযোগ লাভ করবেন, যা তাদের সক্ষমতা ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। আমরা নারীদের মধ্যে সঞ্চয়বান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে এবং দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করব।”

ডিএসআইকে’র এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক সমন্বয়ক ক্রিশ্চান গ্রাজেক বলেন:

“দুই শতাব্দী আগে দ্রুত পরিবর্তনশীল জার্মানিতে দারিদ্র্যের প্রেক্ষিতে দরিদ্র জনগণের জন্য নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ তৈরি করাই ছিল একটি বড় উত্তরণ—এভাবেই স্পারকাসেন ব্যাংকগুলোর জন্ম হয়। আজ ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংকিং গ্রুপ হিসেবে তারা প্রতিষ্ঠিত। ডিএসআইকে বর্তমানে ৫০টি দেশে আমাদের এই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছে। শক্তি ফাউন্ডেশনের মতো একটি উদ্যমী ও গতিশীল সংস্থার সঙ্গে এই অংশীদারত্ব আমাদের আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি, এই সহযোগিতার মাধ্যমে এমন একটি সঞ্চয় সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, যা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মূল ভিত্তি এবং দরিদ্র জনগণের জন্য স্থিতিশীলতা ও ক্ষমতায়নের পথ হবে।”

এই কৌশলগত অংশীদারত্ব আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সম্পদ ও উপকরণে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে, যাতে তারা পরিবর্তনশীল সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে টিকে থাকতে ও এগিয়ে যেতে পারে।

আরও দেখুন

জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর ৮৬৭তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

০৯ ডিসেম্বর’২৫ মঙ্গলবার জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর ৮৬৭তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *