শিরোনাম

শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৪ টি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সেবার কেন্দ্রবিন্দু। পারিপার্শ্বিক সাপেক্ষে অধিকতর স্বাস্থ্যসেবা পেতে করণীয়:

১. জনবল সংকট সমাধান:
আউটসোর্সিং ১০ জন কর্মচারী জুলাই ২০২৫ থেকে বেতন ভাতা পাচ্ছে না। রেগুলার করা প্রয়োজন। বেতন অনিশ্চয়তা থাকলে কর্মস্থলে মনবল হারিয়ে ফেলে। ডেইলি বেসিসে আয়া সুইপার/পরিছন্নতা কর্মী সম্ভব নয়। সরকারি নিয়োগ দরকার।
২. স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহ করার জন্য তহবিল দরকার । অল্প বরাদ্দে হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং কাঙ্খিত সেবা অর্জন করা সম্ভব নয়।
৩. প্যাথলজি আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং ইসিজি সচল রাখতে গেলে একজন প্যাথলজিস্ট, একজন রেডিওগ্রাফার, একজন কার্ডিওগ্রাফার জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া উচিত। আশেপাশে প্রাইভেট ক্লিনিকে ইকো কার্ডিওগ্রাফি এবং কোন কোন জায়গায় সিটি স্ক্যান এর ব্যবস্থা করা হয়ে গেছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে থাকা সম্ভব নয়।
৪.জরুরী বিভাগে সরঞ্জামাদি এবং টেকনোলজি এক্সপার্ট সহ রোগী-স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়ানো এবং নিরাপত্তাসহ চিকিৎসার পরিবেশ জোরদার করা জরুরী।

জরুরী পদক্ষেপ সমূহ:

(১) তিন টাকা টিকিটের স্থলে বহির্বিভাগে (ঔষধ প্রদান বন্ধ) ১০ টাকার টিকেট ব্যবস্থা করা। রোগীর অবস্থা জটিল হলে জরুরি বিভাগের রেফার করবে। শুধু ওষুধ নেওয়ার জন্য অনেক রোগী বহির বিভাগে ভিড় করে। এতে প্রকৃত রোগীরা সেবা বঞ্চিত হয়।
(২) জরুরী বিভাগে ২০ টাকার টিকেট এবং ভর্তি রোগীদের জন্য ১০০ টাকার ফি নির্ধারণ করা এবং অটোমেশনের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমার ব্যবস্থা করা। এই আয়ের অর্ধেক টাকা স্থানীয় ব্যবস্থাপনারয় নাগরিক সুবিধা/সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করতে খরচ করার ক্ষমতা দেওয়া উচিত। একটি কমিটি করে ব্যয় করার ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে। ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
(৩) জরুরী বিভাগ থেকে অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ এবং লজিস্টিক বিনামূল্যে সরবরাহ করা। জরুরী বিভাগের ৩ কক্ষ বিশিষ্ট করা প্রয়োজন (ক) গুরুতর অসুস্থ ও সিরিয়াস রোগীর জন্য এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ প্যানেল(অনকলে)-সহ একটি কক্ষ (খ) সাধারণ রোগীর জন্য স্যাকমো সহ -একটি কক্ষ (গ) রোগী এন্ট্রি এবং প্রশাসনিক কাজের জন্য একটি কক্ষ।
*সরকারি বরাদ্দ+কমিউনিটি পার্টিসিপেশন+ডোনার=স্বাস্থ্যসেবা কে গতিশীল করতে পারে। এই মতামত গুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। অভিজ্ঞদের মতামত প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ডাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন,২১ তম বিসিএস।

আরও দেখুন

দেশে এমআরসিপি পিএসিইএস পরীক্ষা অনুষ্টিত

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো এমআরসিপি পিএসিইএস (প্র্যাকটিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট অব ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন স্কিলস) পরীক্ষা। দেশের সর্বপ্রথম জেসিআই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *