শিরোনাম

বগুড়ায় টিএমএসএস হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সেন্ট্রাল উদ্বোধন

বগুড়া জেলার মম ইন হোটেলে গতকাল (২৪ ডিসেম্বর) টিএমএসএস হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সেন্ট্রালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে। এটি ঢাকা’র পর দেশের দ্বিতীয় এবং উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ ক্যান্সার কেয়ার ইউনিট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো। উদ্বোধনের পর আজ (২৫ ডিসেম্বর) একটি সাইন্টিফিক প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করলো টিএমএসএস।

টিএমএসএস আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এই অত্যাধুনিক ক্যান্সার ইউনিট উদ্বোধনের ফলে, উত্তরবঙ্গ ও আশপাশের অঞ্চলের রোগীরা আরও সহজে ও স্বল্প খরচে হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নত চিকিৎসা-সেবা নিতে পারবেন। এতে করে ঢাকা-কেন্দ্রিক হাসপাতালগুলোর ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টিএমএসএস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. হোসনে আরা বেগম; উপ-নির্বাহী পরিচালক রোটারিয়ান ডা. মো: মতিউর রহমান; চিফ কনসালটেন্ট ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ সহ বিভিন্ন হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সেসময় অধ্যাপক ডা. হোসনে আরা বেগম বলেন, “বগুড়ায় এমন অত্যাধুনিক একটি ক্যান্সার কেয়ার ইউনিট চালু হওয়ায় উত্তরবঙ্গ ও আশপাশের অঞ্চলের রোগীরা এখন সাশ্রয়ী খরচে বিশ্বমানের ক্যান্সার ও ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।”

ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ বলেন, “এই ইউনিট চালুর মাধ্যমে দেশে হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সেবার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে টিএমএসএস-এর প্রতিশ্রুতি ও প্রচেষ্টা আরও দৃশ্যমান হয়েছে। এখানে রোগীরা নির্ভুল টেস্ট রিপোর্ট, বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পাবেন।”

এছাড়া, সাইন্টিফিক প্রোগ্রামে দেশের শীর্ষস্থানীয় হেমাটোলজিস্ট ও চিকিৎসকরা অংশ নিয়েছেন। এতে হেমাটোলজি, অঙ্কোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, সর্বোত্তম চিকিৎসা পদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা ও মত-বিনিময় করা হয়।

টিএমএসএস হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সেন্ট্রালের উদ্বোধনী ও সাইন্টিফিক প্রোগ্রাম সফলভাবে আয়োজনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে টিএমএসএস প্রচেষ্টা আবারও প্রমাণ হয়েছে।

আরও দেখুন

দক্ষ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা খাদ্য অফিস

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, প্রতিনিধি: জনবান্ধব সেবা, স্বচ্ছতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা খাদ্য বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *